Holiday Details
- Holiday Name
- Easter Monday
- Country
- Bangladesh
- Date
- April 6, 2026
- Day of Week
- Monday
- Status
- 93 days away
- About this Holiday
- Easter Monday is the day after Easter Sunday.
Bangladesh • April 6, 2026 • Monday
Also known as: ইস্টার মানডে
বাংলাদেশে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য ইস্টার মানডে বা ইস্টার সোমবার একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং পবিত্র দিন। এটি যিশু খ্রিস্টের পুনরুত্থানের পরের দিন হিসেবে পালিত হয়। যদিও বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ, তবুও এখানে ধর্মীয় সম্প্রীতির এক দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। ইস্টার মানডে বাংলাদেশে সরকারি ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত, যা দেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি এবং সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। এই দিনটি মূলত আনন্দ, পুনর্মিলন এবং ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়।
ইস্টার মানডে বা ইস্টার সোমবারের বিশেষত্ব হলো এটি ইস্টার সানডের ঠিক পরের দিন পালিত হয়। খ্রিস্টধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ইস্টার সানডেতে যিশু খ্রিস্টের পুনরুত্থান ঘটেছিল এবং এই আনন্দের রেশ ধরে রাখতেই সোমবার দিনটি উদযাপন করা হয়। বাংলাদেশে বসবাসরত খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা এই দিনটিতে পরিবারের সদস্যদের সাথে সময় কাটান, বিশেষ প্রার্থনায় অংশ নেন এবং একে অপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এটি কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং এটি নতুন জীবনের প্রতীক এবং আশার বাণী বহন করে।
2026 সালে বাংলাদেশে ইস্টার মানডে পালিত হবে সপ্তাহের Monday দিনে। এই বছরের উদযাপনের তারিখ হলো April 6, 2026। বর্তমানে এই বিশেষ দিনটি আসতে আর মাত্র 93 দিন বাকি রয়েছে।
ইস্টার মানডের তারিখটি প্রতি বছর পরিবর্তিত হয় কারণ এটি চন্দ্র ক্যালেন্ডারের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। এটি মূলত 'মুভেবল ফিস্ট' বা পরিবর্তনশীল উৎসবের অন্তর্ভুক্ত। সাধারণত বসন্তকালীন পূর্ণিমার পর প্রথম রবিবার ইস্টার সানডে পালিত হয় এবং তার পরের দিনটিই হয় ইস্টার মানডে। বাংলাদেশে এই দিনটি সরকারিভাবে স্বীকৃত হওয়ায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষজন নির্বিঘ্নে তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন।
ইস্টার মানডের মূল শিকড় প্রোথিত রয়েছে খ্রিস্টধর্মের প্রাথমিক ইতিহাসে। বাইবেলের বর্ণনা অনুযায়ী, যিশু খ্রিস্টকে ক্রুশবিদ্ধ করার তিন দিন পর তিনি পুনরুত্থিত হয়েছিলেন। এই পুনরুত্থানের ঘটনাটি খ্রিস্টধর্মের মূল ভিত্তি। ইস্টার মানডে মূলত এই পুনরুত্থান পরবর্তী আনন্দের ধারাবাহিকতা। প্রাচীনকালে ইস্টার সপ্তাহব্যাপী উদযাপন করা হতো, যাকে 'ইস্টার অক্টেভ' বলা হতো। সময়ের পরিক্রমায় এটি সংকুচিত হয়ে আসলেও অনেক দেশে ইস্টার মানডে একটি বিশেষ গুরুত্ব ধরে রেখেছে।
বাংলাদেশে খ্রিস্টধর্মের আগমন ঘটেছিল মূলত পর্তুগিজ বণিক এবং ধর্মপ্রচারকদের মাধ্যমে। এরপর ব্রিটিশ শাসনামলে এর প্রসার ঘটে। বর্তমানে বাংলাদেশের ঢাকা, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী বসবাস করেন। তাদের মাধ্যমেই বাংলাদেশে ইস্টার এবং ইস্টার মানডে উদযাপনের সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। যদিও এটি একটি পশ্চিমা উৎস থেকে আসা উৎসব, তবুও বাংলাদেশের স্থানীয় সংস্কৃতির ছোঁয়ায় এটি একটি অনন্য রূপ লাভ করেছে।
বাংলাদেশে ইস্টার মানডে উদযাপন অন্যান্য দেশের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন হতে পারে, তবে এর মূল চেতনা একই থাকে। এই দিনে খ্রিস্টান পরিবারগুলো ভোরে ঘুম থেকে উঠে বিশেষ প্রার্থনার প্রস্তুতি নেয়। যদিও মূল প্রার্থনাটি ইস্টার সানডেতে সম্পন্ন হয়, তবুও সোমবার দিনটিতে অনেক গির্জায় বিশেষ সভা বা 'থ্যাংকসগিভিং' সার্ভিসের আয়োজন করা হয়।
১. পারিবারিক পুনর্মিলন: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যেকোনো উৎসব মানেই হলো পরিবারের সবার সাথে মিলিত হওয়া। ইস্টার মানডেতে দূর-দূরান্ত থেকে আত্মীয়-স্বজনরা একে অপরের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। বিশেষ করে ঢাকার আশেপাশে থাকা খ্রিস্টান গ্রামগুলোতে এই দিনে উৎসবের আমেজ বিরাজ করে।
২. বিশেষ খাবারের আয়োজন: উৎসবের একটি বড় অংশ হলো খাবার। বাংলাদেশে ইস্টার মানডেতে বিভিন্ন ধরণের দেশীয় পিঠা, পোলাও, মাংসের কারি এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার তৈরি করা হয়। অনেক পরিবারে এই দিনে ঐতিহ্যবাহী 'ইস্টার এগ' বা রঙিন ডিমের প্রচলন দেখা যায়, যা নতুন জীবনের প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়।
৩. সামাজিক অনুষ্ঠান: অনেক গির্জা এবং খ্রিস্টান সংগঠনগুলো এই দিনে বনভোজন বা মেলা আয়োজন করে। বিশেষ করে তরুণদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় যেখানে গান, নাটক এবং নাচের মাধ্যমে ইস্টার বা পুনরুত্থানের মহিমা তুলে ধরা হয়।
বাংলাদেশে ইস্টার মানডে উদযাপনে কিছু নির্দিষ্ট প্রথা লক্ষ্য করা যায়। যদিও ডিম রঙ করা বা ইস্টার বানির ধারণাটি মূলত পশ্চিমা, তবে বাংলাদেশের শহরাঞ্চলে এটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। গ্রামীণ অঞ্চলে মানুষজন মূলত ধর্মীয় সভা এবং কীর্তনের মাধ্যমে দিনটি অতিবাহিত করেন।
শুভেচ্ছা বিনিময়: "শুভ ইস্টার" বা "Happy Easter" বলে একে অপরকে অভিবাদন জানানো হয়। বর্তমানে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই শুভেচ্ছা ছড়িয়ে পড়ে। দান-খয়রাত: অনেক সচ্ছল পরিবার এই দিনে দরিদ্রদের মাঝে খাবার বা অর্থ বিতরণ করেন। যিশু খ্রিস্টের ত্যাগের মহিমা স্মরণে রেখে এই সেবামূলক কাজগুলো করা হয়। স্মৃতিচারণ: অনেকে এই দিনে প্রয়াত স্বজনদের কবরে মোমবাতি জ্বালিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং তাদের আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করেন।
আপনি যদি 2026 সালে বাংলাদেশে ইস্টার মানডে উদযাপনের পরিকল্পনা করেন, তবে কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি। যেহেতু এটি একটি সরকারি ছুটি, তাই সাধারণ জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আসতে পারে।
পরিবহন ব্যবস্থা: সরকারি ছুটির কারণে গণপরিবহনে ভিড় কিছুটা কম থাকতে পারে, তবে ব্যক্তিগত ভ্রমণের ক্ষেত্রে রাস্তাঘাট স্বাভাবিক থাকে। কেনাকাটা: বড় শপিং মল বা সুপারশপগুলো সাধারণত খোলা থাকে, তবে পাড়ার ছোট ছোট দোকান বা খ্রিস্টান অধ্যুষিত এলাকার কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকতে পারে। ভ্রমণকারীদের জন্য পরামর্শ: আপনি যদি পর্যটক হিসেবে এই সময়ে বাংলাদেশে থাকেন, তবে ঢাকার সেন্ট মেরিস ক্যাথেড্রাল বা হলি রোজারি চার্চে গিয়ে উৎসবের আমেজ দেখতে পারেন। সেখানে চমৎকার সাজসজ্জা এবং ধর্মীয় পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়।
হ্যাঁ, বাংলাদেশে ইস্টার মানডে একটি স্বীকৃত সরকারি ছুটি। তবে এটি মূলত খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য নির্ধারিত ঐচ্ছিক ছুটির তালিকা থেকে সাধারণ ছুটির মর্যাদায় উন্নীত হয়েছে।
সরকারি অফিস ও ব্যাংক: এই দিনে বাংলাদেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও তাদের কার্যক্রম বন্ধ রাখে। তবে জরুরি সেবা যেমন হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশ স্টেশনগুলো যথারীতি চালু থাকে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: দেশের সকল স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় এই দিনে সাধারণত বন্ধ থাকে। তবে বেসরকারি কিছু প্রতিষ্ঠান বা আন্তর্জাতিক স্কুলগুলো তাদের নিজস্ব ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কাজ করতে পারে।
বেসরকারি খাত: অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বহুজাতিক কোম্পানি ইস্টার মানডেতে ছুটি পালন করে। তবে এটি সম্পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নীতির ওপর নির্ভর করে। পোশাক শিল্প বা কলকারখানাগুলোতে সাধারণত এই দিনে সাধারণ কার্যদিবস হিসেবে গণ্য করা হয় যদি না সেখানে বিশেষ কোনো ঘোষণা থাকে।
বাংলাদেশে ইস্টার মানডে কেবল একটি ক্যালেন্ডারের তারিখ নয়, বরং এটি দেশের ধর্মীয় সহনশীলতার এক উজ্জ্বল নিদর্শন। সংখ্যালঘু খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের এই গুরুত্বপূর্ণ দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মান জানানো বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনারই প্রতিফলন ঘটায়। 2026 সালের April 6, 2026 তারিখে পালিতব্য এই ইস্টার মানডে সকলের জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।
Common questions about Easter Monday in Bangladesh
২০২৬ সালে বাংলাদেশে ইস্টার মানডে April 6, 2026, Monday তারিখে পালিত হবে। এই বিশেষ দিনটি আসতে আর মাত্র 93 দিন বাকি রয়েছে। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের জন্য এটি একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ দিন যা যিশু খ্রিস্টের পুনরুত্থানের পরের দিনকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
হ্যাঁ, ইস্টার মানডে বাংলাদেশে একটি সরকারি সাধারণ ছুটি হিসেবে স্বীকৃত। যদিও বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ, তবুও ধর্মীয় সম্প্রীতির অংশ হিসেবে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের এই বিশেষ দিনটিতে সরকারি অফিস, আদালত এবং ব্যাংক বন্ধ থাকে। মজার বিষয় হলো, ইস্টার সানডে বাংলাদেশে গেজেটেড ছুটি না হলেও ইস্টার মানডে একটি আনুষ্ঠানিক সরকারি ছুটি।
ইস্টার মানডে খ্রিস্টান ধর্মতত্ত্ব অনুযায়ী যিশু খ্রিস্টের পুনরুত্থানের পরবর্তী দ্বিতীয় দিনকে চিহ্নিত করে। এটি ইস্টার উৎসবের একটি অংশ। বাংলাদেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায় এই দিনটিকে যিশুর বিজয়ের আনন্দ হিসেবে উদযাপন করে। বিভিন্ন গির্জায় এই দিনে বিশেষ প্রার্থনা সভা এবং ধর্মীয় আলোচনার আয়োজন করা হয়, যা বিশ্বাসীদের আধ্যাত্মিক পুনর্জাগরণ ঘটায়।
বাংলাদেশে ইস্টার মানডে মূলত ধর্মীয় এবং সামাজিক আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালন করা হয়। খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষজন সকালে গির্জায় বিশেষ প্রার্থনায় অংশ নেন। পরিবারের সদস্যদের সাথে একত্রিত হওয়া এবং বিশেষ খাবারের আয়োজন করা এই দিনের সাধারণ চিত্র। ঢাকার মতো বড় শহরগুলোতে গির্জাগুলো আলোকসজ্জা করা হয় এবং ছোটখাটো ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
পাশ্চাত্যের দেশগুলোর মতো বাংলাদেশে ইস্টার মানডেতে বড় কোনো জনসমাবেশ বা প্যারেড সচরাচর দেখা যায় না। যেহেতু এখানে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা সংখ্যালঘু, তাই উদযাপনটি মূলত গির্জা এবং পারিবারিক গণ্ডির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। এটি অন্যান্য বড় জাতীয় বা ধর্মীয় উৎসবের তুলনায় অনেক শান্ত এবং ঘরোয়া পরিবেশে পালিত হয়।
সরকারি ছুটি হওয়ার কারণে ইস্টার মানডেতে বাংলাদেশের সকল সরকারি অফিস, ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। তবে বেসরকারি অনেক অফিস এবং দোকানপাট খোলা থাকতে পারে। যেহেতু এটি বড় কোনো জাতীয় উৎসব নয়, তাই সাধারণ জনজীবনে এর প্রভাব খুব বেশি পড়ে না এবং গণপরিবহন বা বাজারব্যবস্থা স্বাভাবিকভাবেই সচল থাকে।
আপনি যদি ইস্টার মানডেতে বাংলাদেশে অবস্থান করেন, তবে ঢাকার তেজগাঁও বা রমনা এলাকার গির্জাগুলো পরিদর্শন করতে পারেন ধর্মীয় পরিবেশ দেখার জন্য। তবে মনে রাখবেন এটি একটি সরকারি ছুটি, তাই ব্যাংক বা সরকারি অফিসের কাজ এই দিনে না রাখাই ভালো। পর্যটকদের জন্য এটি একটি শান্ত দিন হতে পারে, তবে বড় কোনো উৎসবের আমেজ রাস্তায় খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে।
বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা বা দুর্গাপূজার মতো উৎসবগুলো যেভাবে ব্যাপক পরিসরে পালিত হয়, ইস্টার মানডে সে তুলনায় বেশ সীমিত। দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলিম হওয়ায় জাতীয়ভাবে বড় কোনো উৎসবের আমেজ এই দিনে থাকে না। তবে খ্রিস্টান পল্লি বা গির্জা সংলগ্ন এলাকাগুলোতে উৎসবের পরিবেশ বেশ প্রাণবন্ত থাকে।
Easter Monday dates in Bangladesh from 2010 to 2025
| Year | Day of Week | Date |
|---|---|---|
| 2025 | Monday | April 21, 2025 |
| 2024 | Monday | April 1, 2024 |
| 2023 | Monday | April 10, 2023 |
| 2022 | Monday | April 18, 2022 |
| 2021 | Monday | April 5, 2021 |
| 2020 | Monday | April 13, 2020 |
| 2019 | Monday | April 22, 2019 |
| 2018 | Monday | April 2, 2018 |
| 2017 | Monday | April 17, 2017 |
| 2016 | Monday | March 28, 2016 |
| 2015 | Monday | April 6, 2015 |
| 2014 | Monday | April 21, 2014 |
| 2013 | Monday | April 1, 2013 |
| 2012 | Monday | April 9, 2012 |
| 2011 | Monday | April 25, 2011 |
| 2010 | Monday | April 5, 2010 |
Note: Holiday dates may vary. Some holidays follow lunar calendars or have different observance dates. Purple indicates weekends.